সিরোসিস অব লিভার-Cirrohosis of Liver-Bangla news-2023
সিরোসিস অফ লিভার-cirrhosis of liver
ডাঃ এ, এন, এ, হোসেন-এম.বি.বি.এস
![]() |
| সিরোসিস অব লিভার |
এই রোগে লিভার বড় হইয়া লিভারের আকারে বৃদ্ধি ঘটে প্রথমদিকে লিভার বড় এবং শক্ত হয়।
👉সিরোসিস অফ লিভার দুই প্রকার যথাঃ
১। পোর্টাল সিরোসিস, ও
২। হাইপারট্রোফিক বিলিয়ারী সিরোসিস
পোর্টাল শিরোসিস
দীর্ঘদিন যাবৎ অখাদ্য, কুখাদ্য কিংবা পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করিলে ধীরে ধীরে এই রোগে আক্রান্ত হয়। ক্রমাগত রাত্রি জাগরন, মদ্যপান ধূমপান করলেও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। অন্যদিকে হেপাইটিজ রোগ হইতেও এই রোগের বিকাশ ঘটিয়া থাকে।
👉কারণ
১। দীর্ঘদিন যাবৎ হেপাটাইটিস রোগে ভুগিলেও সিরোসিস হয়।
২। অনেক সময় কোলসিসটাইসিস থেকেও সিরোসিস হয়।
৩। ম্যালেরিয়া কালাজ্বর প্রভৃতি রোগ থেকে হেপাটাইটিস রোগ এবং পরে তাহতে সিরোসিস রুপ লইতে পারে ।
8। মদ্যপানের জন্য সিরোসিস হতে পারে।
৫। দীর্ঘদিন পিত্ত নালীর ব্যাথা হলে সিরোসিস হইতে পারে।
৬। Viral হেপাটাইটিস B থেকে লিভারে সিরোসিস রোগ হতে পারে।
৭। ইনফেকশন (জীবাণু দূষণ) থেকে পোর্টাল বিলিয়ারী সিরোসিস হইতে পারে।
👉লক্ষণ
১। পোর্টাল রক্ত সঞ্চালনে বাঁধার সৃষ্টি হইয়া যকৃতের আকার বদলায় যায়। প্রথমে বড় ও পরে ছোট হয়। ইহার ফলে যকৃত পাকস্থলীহইতে রক্তক্ষরণ এবং পেটে পানি জমিয়া উদরী রোগের সৃষ্টি হয়।
২। লিভারে ব্যাথা, ডান দিকে ব্যথ, ডান কাঁধে ব্যথা, ডান বুকে, ডান পেটে ব্যথা থাকে।
৩। জ্বর থাকতে পারে । মুখের স্বাদ দিতে হয় । অজীর্ণ, ক্ষুধা দেখা দেয়।
8। দীর্ঘদিন যাবত এই রোগ সুপ্ত অবস্থায় থাকে। অনেক সময় কয়েক বছর পর্যন্ত রোগের কোন লক্ষণ প্রকাশ নাও পাইতে পারে।
৫। অনেক ক্ষেত্রে এই রোগে আক্রান্ত রোগীর লক্ষণ প্রকাশ না পাইলেও রোগীর ক্ষুধাহীনতা বমি বমি ভাব, বমি, পুরাতন বদহজম, পেটে ফাঁপা, ঢেকুর কিংবা কোষ্ঠ-কাঠিন্য থাকে।
৬। দেহের রং মেটে এবং হালকা হলুদ বর্ণ হয়।
৭। পুরুষত্বহীনতা, ধ্বংভঙ্গ ইত্যাদি থাকতে পারে ।
৮। এমনিভাবে সুদীর্ঘকাল রোগে ভোগার জন্য রোগীর যকৃত অকেজো হইয়া পড়ে এবং হঠাৎ রোগীর মৃত্যু হয়।
👉হাইপারট্রোফিক বিলিয়ারি সিরোসিস
সাধারণতঃ মধ্যম বয়সী লোকেরা এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে বা হয়ে থাকে। এই রোগে হঠাৎ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়। পিত্তনালীর পাথে বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার জন্য এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির লিভার বড় এবং নরম হয়। নরম সেগুলি ফাইবারে পরিণত হয় এবং লিভার শক্ত হয় ।
👉লক্ষণ
১। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর জ্বর হয়।
২। যকৃতের প্লীহা বৃদ্ধি পায় ।
৩। দেহের রং হলুদ বর্ণ হয় ধীরে ধীরে জন্ডিসে আক্রান্ত হইতে পারে।
8। মাঝে মাঝে পিত্ত বমি হয়
৫। শীর্ণতা, দুর্বলতা ও মারাত্মক রক্তশূন্যতা দেখা দেয় ।
৬। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি শেষ পর্যন্ত জল উদয়ী রোগেও আক্রান্ত হইতে পারে ।
👉চিকিৎসা
আরোগ্য করার মতো কোনো চিকিৎসা নেই। উপসর্গের প্রতি নজর রাখিয়া চিকিৎসা করিতে হয়। পুষ্টিকর এবং কার্বহাইড্রট খাবার খাইতে হবে । রাত্রি জাগরন, দুশ্চিন্তা, মদ্যপান বা ধূমপান বন্ধ করিতে হইবে এবং ভালো ডাক্তারের পরামর্শ অনুসারে চিকিৎসা করাইতে হইবে ।
👉পথ্য আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা
১। প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যুক্ত খাবার খেতে হবে।
২। পরিশ্রম কমিয়ে বিশ্রাম নিতে হবে।
৩। পায়খানা পরিষ্কার রাখতে হবে।
8। বমি থাকিলে বমি বন্ধের ওষুধ খেতে হবে।
৫। প্রচুর ভিটামিন যুক্ত ওষুধ খেতে হবে।
৬। রোগ জটিল মনে করিলে প্রথমে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হওয়া ভালো ।
🔯 আরো জেনে নিন👇
👉পেটে জরুরি বা সংকট অবস্থা কি?
👉এপেনডিসাইটিজ-(Apendicities) কি?
👉ডায়ালাইসিস রোগির খাদ্য ও পুষ্টি
👉কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে কত টাকা লাগে
👉গর্ভবতী মহিলার প্রাথমিক কি কি লক্ষন প্রকাশ পায়

Vai C positave viras neya akta conten laikhen
উত্তরমুছুন