কালাজ্বর ও লক্ষন -Kala Zar
কালাজ্বর
কালা+জ্বর=কালাজ্বর। এই রোগে শরিরের রং কালো হইয়া যায় বলিয়া উহাকে কালাজ্বব বলে। কালাজ্বরে জীবানু কিভাবে মানব দেহে প্রবেশ করে, উহার সঠিক তথ্য এখনো আবিস্কৃত হয় নাই। এই সংক্রামণ রোগের কারন এক প্রকার প্রোটোজায়া। আবিস্কারকের নামে এই পরোজীবির নামকরন করা হয় লিসমনিতনয়া ডোনভ্যানি। গ্রীষ্মপ্রধান দেশে সচরাচর কালাজ্বরের প্রর্দুভাব বেশী। স্যান্ডফ্লাই নামক এক প্রকার মাছি দ্বারা এই রোগের বিস্তার ঘটে। আজ থেকে 8০/৫০ বছর পূর্বে ব্যপক হারে বাংলাদেশে কালাজ্বর ছিলো। বর্য়মানে আমাদের দেশে এই রোগের প্রকোপ নাই বললেই চলে।
অনেকের মতে স্যান্ডফ্লাই মাছি রোগে আকরান্ত রোগীর দেহ হইতে রক্ত চুষিবার সময় রোগ জিবানু বহন করিয়া সুস্থ মানব দেহে ই রোগ জীবানু প্রবেশ করাইয়া দেয়। আবর্জনা যুক্ত স্থানে কিংবা পচা নর্দমাযুক্ত স্থানে এই মাছি ডিম পাড়ে বলিয়া সেই স্থানগুলিকে পরিস্কার রাখিতে হয়।
লক্ষণঃ
১। কালাজ্বে আকরান্ত রোগির প্রধান লক্ষণ হলো জ্বর, পরে দ্রুত প্লাীহা ও যকৃত বৃদ্ধি পায়।
২ সকল সময় জ্বর, কিম্বা জ্বরের তপমাত্রাও অধিক হয় না।
৩। জ্বর থাকা বা না থাকা উভয় অবস্থাতেই কেবল প্লীহা বৃদ্ধি পায়। তবে ইহা খুব নরম থাকে শক্ত হয় না।
8। অল্প অল্প জ্বর হয় এবং উহা বহুদিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
৫। দর্ঘ্যদিন ভিগিয়া রোগী নিতান্ত দুর্বল এবং রক্তহীন হয়। সর্দি, কাশি প্রভৃতি নানা উপসর্গ দেখা দেয়, শরীর চামড়া ধীরে ধীরে কালো রং ধারন করে, চুল পড়ে যায়।
৬। হাত দিয়ে পেট টিপলে প্লীহা হতে ঠেকে। তবে প্লীহাতে ব্যথা থাকে না।
৭। টাইফয়েডের মত জিহ্বা লেপাবৃত থাকে না। কয়েক দিন তাপ কম থাকিয়া আবার বৃদ্ধি পায়।
৮। অনেক সময় কালো রোগে আকরান্ত রোগীর দাঁতের গোড়া ও নাক দিয়ে রক্তক্ষরন হতে পারে।
৯। ক্ষুুদা কমে না বরং দিনে দিনে বৃদ্ধি পায়। এই রুপ রাক্ষসে ক্ষুুদা বেশী দিন থাকে না। বেশী খাইলে পেটে বদহজম দেখা দিতে পারে।
১০। বুক ধড় পড় করে ও শ্বাসকষ্ট হয়। রোগী খুব দর্বল হয়।
১১। চামড়া খস খসে হয়, পরে চামড়ায় ঘা দেখা দিতে পারে।
১২। ফুসফুসে আকরান্ত বেশীভাগ রোগী মারা যায়। রোগ প্রথমে জটিল থাকে না। তবে জটিল রোগির বাঁচার আশা নিত্যন্তত কম।
১৩। দিন রাতে ২ বার জ্বর বৃদ্ধি এই রোগের লক্ষণ।
আরোপড়ুন...
আরো জেনে নিন👇

Very good
উত্তরমুছুন