হাম জ্বর কি-Mesales
হাম জ্বর- Mesales
ডা. এ, এন, এ, হোসেন- এম.বি.বি.এস
![]() |
| হাম জ্বর |
হাম জ্বরের লক্ষন
১। প্রথমে সর্দি জ্বরে আকরান্ত হয়, নাক দিয়া পানি পড়ে ও চোখ লাল হয়।
২। পরে দেহের তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পাইয়া ১০৩° হইতে ১০8° ডিগ্রী পর্যন্ত হয়।
৩। ৩/8 দিন পর এক ঝাঁক হাম কপালে ও মুখে দেখা দেয়। হাম ওঠার পরে জ্বরের প্রকোপ কমে যায়। পূনরায় জ্বর বৃদ্ধি পাাইয়া নতুন এক ঝাঁক হাম সমস্ত শরীরে অর্থাৎ বুকে ও পিঠে দেখা দেয়। ইহা ওঠার পরে জ্বর কমে। আবার, আর এক ঝাঁক হাম হাতে পায়ে উঠে ও জ্বর কমিয়া যায়। এমনি ভাবে ৩/8 বারে ৩/8 ঝাক উঠে। ৫/৬ দিনের মধে উঠা শেষ হয়। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ উঠতে সপ্তাহ খানেক সময় লাগে। হাম ওঠার পরে জ্বর কমে বা ছাড়িয়া যায়।
8। এই গুলি খুব চুলকায়।
হামের জন্য করনিয়
১। হামের কোন সুনির্দীষ্ট চিকিৎসা নেই। অনেক সময় কঠিন হামের সময় বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
২। হাম ঠিকমত বাহির না হইলে গরম পানিতে গা স্পঞ্জ করিয়া দিলে উহা তারা তারি বাহির হয়। কাজেই হাম বাহির হতে বিঘ্ন হইল গা স্পঞ্জ করিয়ে দেওয়া অবশ্য কর্তব্য কেননা। হাম বসিয়া যাওয়া খারাপ।
৩। হাম আকরান্ত রোগিকে ঠান্ডা লাগানো কিংবা কিংবা ঠান্ডা খাদ্য দেওয়া চলিবে না। কেননা অধিক শিশু হামের পরে ব্রষ্কোনিউমোনিয়া বা পেটের অসুখে মারা যায়।
হামের চিকিৎসা কি
১। গায়ে ব্যথা বা জ্বরের জন্য( Peracetamol) জাতীয় ঔষুধ খাইতে হবে।
যেমন-Napa, Ace. ইত্যাদি।
২। সামান্য হামের জন্য (Phenoxymethyl Penicillin) ফেনোক্সিমিথাইল পেনিসিলন) যুক্ত ঔষুধ খাইতে হবে।
যেমনঃ Sy.Oracin-k, Sy. Cytapen-V. ইত্যাদি।
৩। চোখের কষ্টের জনেঃ Renamycin Eya Oinatmen (রেনামাইসিন আই অয়েন্টমেন্ট) যুক্ত ঔষুধ খাইতে হবে।
যেমনঃ Osofenicol Eye drop, Chlorphen Eye drop. ইত্যাদি।
8। ব্রষ্কোনিউমিনিয়া উপসর্গ সেখা দিলে- Amoxycillin ( এমোক্সিলিন) যুক্ত ঔষুধ খাইতে হবে।
যেমনঃ Fimoxyl dry sy, Amosy dry sy. ইত্যাদি।
৫। আমাসা দেখা দিলে আমাশায়ের জনেঃ Metronidazol(মেট্রনিডাজল) যুক্ত ঔষুধ খেতে হবে।
যেমনঃ Aotrix Suspension, Amobin suspension, ইত্যাদি ।
৬। গ্যাস, বদ হজম, বা অম্লযুক্ত ঢেকুর, অরুচি বা বমি দেখা দিলে- Metoclapramid( মেটোক্লাপ্রামাইড) যুক্ত ঔষুধ খাইতে হবে।
যেমনঃ Sy. Motilon, Domin, ইত্যাদি।
৭। আরগ্য হইবার পরঃ Maltivitamin(মাল্টিভিটামিন) যুক্ত ঔষুধ খাইতে হবে।
যেমনঃ Sy. Vigor-B, Sy. Hexaplex, ইত্যাদি।
হাম জ্বরে রোগির পথ্য বা আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা
১। শরীরের রেশ বাহির হইবার পর রোগিকে ১০ দিন আলাদা রাখা ভালো, যতক্ষন পর্যন্ত লাল দাগ মুক্ত না হয়।
২। জ্বর ভাল না হওয়া পর্যন্ত রোগীর সঠিক বিশ্রম প্রযোজন।৩। হাম জ্বরের জন্য টিকা নিলে এই রোগ হয় না। পূর্বের তুলনায় এই রোগ বহুলাংশে হ্রাা পাাইয়াচ্ছ।
হাম জ্বরের রোগীর খাদ্য
রোগীকে পুরোপুরি বিশ্রাম নিতে হবে, এ সময় বাসা থেকে বেড় না হওয়াই ভাল এবং প্রচর পানি পান করতে হবে। সভাবিক খাবারের পাশাপাশি তরল খাবার বেশি খেতে হবে।
আরো জেনে নিনি👇
👉সর্দি জ্বর কি? সর্দি জ্বরের চিকিৎসা

Good
উত্তরমুছুন