প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাত- Paralysis
প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাত- Paralysis
![]() |
| প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাত |
ক) হেমিপ্লেজিয়া!
খ) প্যরাপ্লেজিয়া!
গ) ডাইপ্লেজিয়া!
ঘ) মনোপ্লেজিয়া!
(ক) হেমিপ্লেজিয়া-( Hemiplegia)ঃ ইহাতে শরীরের অর্ধেক অংশ বা কিছু পরিমান অসাড় হইতে পারে। শরীরের অর্ধাংশ অর্থাৎ এক হত, এক পা, মুখের এক দিক ইত্যাদি অবশ হইয়া থাকে।
অনেক কারনেই হা হয় তার মধ্যে রক্তের উচ্চচাপ অধিক উল্লেখযোগ্য। রক্তের উচ্চচাপ জনিত কারণে মগজে রক্তপাত হয় কিংবা ধমনিকা ফাটিয়া যায় এবং রোগী অজ্ঞান হয়।
লক্ষণ
১। রক্তচাপের কারণে মাথা ধরে এবং পরিয়া যাইবার ভয় থাকে।
২। প্রায় মাথাব্যথা হয়।
৩। রোগী হঠাৎ যে কোন সময় অজ্ঞান হইবার পারে।
8। ঘর ঘর শব্দ করিয়া নিঃশ্বাস যাতায়াত করে।
৫। আক্রান্ত হাত বা পা উঠাইয়া ছাড়িয়া দিলে অবশ হওয়া বোঝা যায়।
৬। অসারে প্রস্রাব হতে পারে ।
চিকিৎসা
১। মানসিক উত্তজনা জেন না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
২। চ্চরক্তচাপ কমাইয়া রাখা ভাল। সে জন্য উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা করিতে হইবে।
৩। অঙ্গান অবস্থায় Inj. Largactil 50 mg. মাংসে ১ টি দিতে হবে।
8। ব্লাড প্রেসার জনিত কারনে ইহা হইলে এবং রোগী বাঁচিয়া গেলে দীর্ঘদিন পরে ধীরে ধীরে চলাফেরা করিতে পারে।
৫। আক্রান্ত স্থানে ভালোভাবে সরিষার তৈল বা অলিভ অয়েল মালিশ করলে ভালো ফল পাওয়া যায় ।
(খ)প্যারাপ্লেজিয়া-( Paraplegia): সজোরে মেরুদন্ডের হাড়ে আঘাত লাগিয়া উহা ভাঙ্গিয়া গেলে দুই পা, মূত্রথলি কিংবা শরীরের অন্য অংশ অবশ হইয়া যাইতে পারে।
লক্ষণ
১। দুই পা অবশ হয়।
২। প্রসাব পায়খানা বন্ধ হয় ।
চিকিৎসা
𖤓 ক্যাথিটার দাঁড়া প্রসাব করাইতে হইবে।
𖤓 ডুশ দ্বারা পায়খানা করাইতে হবে।
𖤓 এক পাশে শুয়ে থাকলে কোমরে বা ফিটে ঘা হইতে পারে, তাই পার্শ্ব পরিবর্তন করাইয়া দিতে হইবে এবং নরম বিছানায় শুয়াইতে হইবে।
𖤓 রক্ত পরীক্ষায় সিফিলিশ থাকিলে উহার চিকিৎসা করিতে হইবে ।
(গ) মেনোপ্লেজিয়া-(Monoplegia): শরীরের ১ হত ১ পা অবশ্য হওয়ার নাম মনোপ্লেজিয়া। সাধারণতঃ হিস্টেরিয়া, সেরিব্রাল টিউমার প্রভৃতি রোগে ইহা হয়।
চিকিৎসা
১। কারণ অনুসারে চিকিৎসা করিতে হইবে।
২। প্যারাপ্লেজিয়া ন্যায় চিকিৎসা করিতে হইবে।
(ঘ) ডাইপ্লেজিয়া (Diplegia): মানসিক অসুস্থতা সহ বহুবিধ কারণে হইা হইতে পারে। এই রোগে ১ হাত ১ পা, উভয় হত বা উভয় পায়ের মাংসপেশী অনিয়মিতভাবে সংকোচন হইতে পারে।
কেন ইহা হয়
১। মাতৃগর্ভে থাকাকালীন কিংবা সজোরে কোন আঘাত পাইলে।
২। ভূমিষ্ঠ হইবার কালে আঘাত লাগলে কিংবা দ্রুত ভূমিষ্ঠ হইয়া মাথায় আঘাত লাগলে।
লক্ষণ
১। হাত পায়ের মাংসপেশি শক্ত হইতে পারে
২। পা অধিক আক্রান্ত হতে দেখা যায়
৩। পা দুটি একদম সোজা করে রাখে
8। টেন্ডনের উপরে আঘাত করিলে সদরের সংকোচন হয়।
৫। হাত আক্রান্ত হলে কোন ভাঁজ করা যায় না।
৬। সমস্ত শরীর কিংবা শরীরের অর্ধাংশ অবশ হইতে পারে (হেমিপ্লেজিয়া )।
চিকিৎসা
১। কারণ অনুসারে চিকিৎসা করিতে হইবে।
২। মানসিক অশান্তি বা উদ্বিগ্ন দূরীকরণে চেষ্টা করিতে হইবে।
৩। lmfrafia ল্যম্পের সাহায্যে রে' দেওয়া যাইবে ১ মাস। যে (অংশ অবশ হয়েছ)।
আরো জেনে নিন👇
👉এপেনডিসাইটিজ-(Apendicities) কি?
👉তালিকাতালিকাকিডনি রোগীর খাদ্য তালিকা
👉ডায়ালাইসিস রোগির খাদ্য ও পুষ্টি
👉কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে কত টাকা লাগে
👉গর্ভবতী মহিলার প্রাথমিক কি কি লক্ষন প্রকাশ পায়

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন