ব্লাড কেন্স্যার লক্ষণ ও প্রতিকার- বাংলা নিউজ
ব্লাড ক্যন্সার লক্ষণ ও প্রতিকার- বাংলা নিউজ
![]() |
| ব্লাড কেন্স্যার লক্ষণ ও প্রতিকার |
ব্লাড ক্যান্সার পরিচিত একটি রোগ, যায় শুনলে মনটা কেমন যেন আতঙ্কে ওঠে। তাই ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ আগে থেকে জানতে পারলে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ব্লাড ক্যান্সার বোনমেরুতে শুরু হয়, যা আদতে রক্ত তৈরি কারখানা । যখন রক্তের কোষগুলো স্বাভাবিক কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটায় তখন ব্লাড ক্যান্সার হয়। এখানে স্বাভাবিক কাজ বলতে সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও নতুন রক্ত কষ উৎপাদনের কথা বলা হয়েছে। আর একটিও ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ।
👉ব্লাড ক্যন্সার তিন ধরনের হয়।
ক) লিউকেমিয়া ।
খ) লিস্কমা ।
খ) মাইলোমা ।
👉ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণসমূহ
১। মাথা ব্যাথা করা ।
২। স্থায়ী ক্লান্তীয় দুর্বলতা ।
৩। শ্বাসকষ্ট ।
8। খসখসে চামড়া ও ফুসকুড়ি ।
৫। রাতে ঘামা।
৬। খিদে না পাওয়া বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭। হঠাৎ অনেক ওজন কমে যাওয়া।
৮। হাড় ও সন্ধিস্থলে ব্যথা ।
৯। বারবার সংক্রমণ হওয়া।
১০। গলা বগল কুচকির লিস্ফনোড ফজলে যাওয়া ।
১১। তলপেটে অস্বস্তি ।
উপরক্ত কারন গুলো ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। তা ছাড়া আরো কিছু লক্ষণ দেখা যায় ।
১। ঘন ঘন জ্বর আরেকটি সবচেয়ে কমন লক্ষণ ।
২। দাঁতের মাড়ি ফোলা আরো একটটি কমন লক্ষণ।
৩। অল্প কাটা ছেঁড়া থেকে অনেক রক্তক্ষরণ হওয়া।
8। বুক ধরপর ও মুখ ফ্যাকাস হয়ে যাওয়া ।
আর বর্তমানে ক্যান্সার আক্রান্ত রবির সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। প্রতিনিয়ত অসংখ্যা জনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এই রোগ। প্রতি চারজন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে মারা যায় একজন ব্যক্তি। কিন্তু এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়ে তিনজন পর্যন্ত হয়ে থাকে । এর কারণ চিকিৎসার অভাব ও অবহেলার কারণে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে ক্যান্সার। ধুমপান, রাসায়নিক পদার্থ, সূর্যের রশ্মিি , বাড়তি ওজন সহ আরো অনেক কারণে ক্যান্সার হতে পারে । অতিরিক্ত মাত্রায় ওজন কমে যাওয়া পরিশ্রম না করে নিজের ওজন হঠাৎ করে কমে যাওয়া এটা কোন ব্যক্তির কাম্য নয়। ডায়েটিং কিংবা খাদ্যঅভ্যস পরিবর্তন করে ওজন কমাতে থাকলে সমস্যা নয়। কিন্তু সবকিছুই স্বাভাবিক রেখে জীবন যাপন করলে তারপরে ওজন কমলে এটি অস্বাভাবিক। এই জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে তাই এই ধরনের লক্ষণ হতে পারে ব্লাড ক্যান্সার।
👉প্রতিরোধের উপায়
১। যেসব রোগীকে কেমোথেরাপি ও রেডিও থেরাপি একসঙ্গে দেওয়া হয় তাদের মধ্যে ব্লাড ক্যান্সারের প্রবণতা প্রায় 20 গুণ বেড়ে যায়।
২। সকল ধরনের তেজস্ক্রিয়তা পরিহার করতে হবে।
৩। রাসায়নিক দাবৈতিক সংস্পর্শ পরিহার করতে হবে।
8। এক্সরে বিভাগে ও নিউক্লিয়ার বিভাগে কাজ করার সময় বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
৫। ধূমপান তামাক জর্দা পরিহার করতে হবে ।
👉পথ ও আনুষাঙ্গিক ব্যবস্থা
কচু শাক, লাল শাক, ডাটা শাক, এবং অবশ্যই তার সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। কারন ভিটামিন সি সাধারণত আয়রন এ্যবজর্বসনে সহায়তা করে। প্রতিদিন একটা করে রসুন খেতে পারেন রসুন এক প্রকার এন্টিঅক্সাইড।
👉ব্লাড ক্যান্সারের রোগী কত দিন বাঁচে
যে সমস্ত ক্ষেত্রে ব্লাড ক্যন্সার সম্পর্ণ নিরাময় করা যায় না। ডাক্তর চক্রপ্রণী তাদেরকে, অ্যলোজেনিক বা অটোলগাস প্রতিস্থাপন করার পরামর্শ দিয়েছেন এতে করে রোগীর আয়ু আরো ১০ থেকে ১৫ বছর বেড়ে যায়।
আরো জেনে নিন👇
👉পিত্ত পাথরী/ পিত্তথলীতে পাথর হয় কেন
👉পেটে জরুরি বা সংকট অবস্থা কি?
👉এপেনডিসাইটিজ-(Apendicities) কি?
👉ডায়ালাইসিস রোগির খাদ্য ও পুষ্টি
👉কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে কত টাকা লাগে
👉চোখ উঠা রোগের লক্ষন ও কারন কি?
👉সল্প পুজিতে মেয়েদের জন্য ভিজনেস আইডিয়া 2023
👉স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন সফল উদ্যোক্তা

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন