সল্পপুজিতে নতুন ব্যাবসা আইডিয়া নিয়ে আপনিও হয়ে উঠুন সফল উদ্যোক্তা
সল্পপুজিতে নতুন ব্যাবসা আইডিয়া নিয়ে আপনিও হয়ে উঠুন সফল উদ্যোক্তা।
![]() |
| নিউ বিজনেস আইডিয়া |
আপনি যেই ব্যবসাই করেন না কেন আপনাকে সেই ব্যবসা সম্পর্কে জানতে হবে বুঝতে হবে তার পরে সেই ব্যবসার জন্য পরিকল্পনা গ্রহন করতে হবে এবং সে অনুসারে উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে এবং অবশ্যই ঝুকি গ্রহন করতে হবে। নিম্নে আধুনিক ব্যবসা সম্পর্কে ধারনা দেওয়ার হলঃ
১। কাপড়ের ব্যাবসা।
আপনি যদি এক জন নতুন উদ্যাক্তা হয়ে থাকেন তাহলে কপড়ের ব্যবসার কথা চিন্তা করতে পারেন। এটি একটি রজকীয় ব্যাবসা। বাংলাদেশের মধে বিক্ষাত পাইকারী কাপড়ের বাজার ,ঢকা ইসলামপুর, সদর ঘাট, ভুল্তা গউছিয়া, শেখের চড় বাবুর হাট, মাদবধী এই সমস্ত যাইগা থেকে কম দামে পাইকারী দরে বিভিন্ন গজ কাপড় ক্রয় করে এনে খুরচা ভাবে বিক্রি করতে পারবেন। আপনি সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। আপনি চাইলে তাদের থেকে কন্ডিশনে ও কুড়িয়রে পণ্য এনে ব্যবসা করতে পারবেন। কন্ডিশন বলতে আপনি ২০ টাকার মাল ওয়াডার করলেন ১ হাজার টাকা বিকাশ করলেন আর বকি ১৯ হাজার টাকা মাল হাতে পাওয়ার পরে কুড়িয়ারে পরিষধ করে দিলেন। এই ভাবে আপনি যে কোন কাপড়ের ব্যবসা করতে পারেন। গজ কাপড়, রেডিমেড পোষাখ, লুঙ্গি, গামছা ইত্যাদি। আপনি চাইলে আরো কম মূলধন দিয়েও করতে পারবেন সেটা আপনার উপর নির্ভর করে যে আপনি ব্যবসাটা করতে চাইছে, ছোট করে, মাঝারি করে না কি বড় পড়িসরে আপনে যে ভাবেই করতে চান করতে পারবেন এটি অত্যন্ত লাভ জনক একটি ব্যবসা। আমি নিজও করেছিলাম এই ব্যবসা। তাই এই ব্যবসা সম্পর্কে আমার মুটামুটি ভালই থারনা হয়েছে। গজ কাপড় পাইকারী 8০ টাকা গজ কিনে ৭০/৮০ টাকা গজ খুচরা বিক্রি করা যায়। যা কিনা অত্যন্ত লাভ জনক।
২। ইলেকট্রিকপন্যের ব্যবসাঃ
আপনি চাইলে ইলেকট্রিক পন্যের ব্যবসাও করতে পারেন, এই ব্যবসা অত্যন্ত লাভ জনক, এই ব্যবসা করার জন্য পণ্য কিনতে আপনাকে যাইতে হবে ঢাকা গুলিস্থান সুন্দরবন স্কয়ার সুপার মার্কেটে কিংবা কাপ্তান বাজার মার্কেটে। সেখান থেকে আপনি অত্যন্ত কম রেটে পণ্য ক্রয় করে দ্বিগুন বা তিন গুন লাভে বিক্রি করতে পারবেন। এই ব্যবসা করতে আপনার বেশি মূলধন লাগবে না আপনি যত চালান নিয়ে করতে পারেন করতে পারবেন, তবে ঐ সব পাইকারী বাজারে সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকার কমে পণ্য দিতে চায় না। আপনি সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকায় এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।
৩। কসমেটিক্সের ব্যবসাঃ
এটি একটি আধুনিক অধিক লাভজনক ব্যবসা। এই ব্যবসা করে আপনি 8/৫ গুন লাভ করতে পারবেন। তবে আপনাকে পন্য ক্রয় করতে শিখতে হবে। মনে রাখবেন আপনি যত কম রেটে পন্য কিমতে পারবেন ততো আপনার লাভ বেশী হবে। কসমেটিক্স পণ্য অত্যন্ত কম রেটে কিনতে আপাকে যাইতে হবে ঢাকা চকবাজার। আপনি সেখানে গিয়ে অত্যম্ত কম দামে দেশি বিদেশী যত আইটেম আছে সব কিছু ইউজ পরিমানে পেয়ে যাবেন। সেখা গিয়ে যাচাই বাচাই করে পণ্য কিনে কসমেটিক্স ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসা করতে সর্বনিম্ন 8০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করতে পারবেন। ঢাকা চকবাজারে এতো কম দোমে পণ্য যে আপনি না গেলে বিশ্বাস করতে পারবেন না। সেখান থেকে ১ টাকায় পণ্য কিনে ১০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। যারা এক দম নতুন ব্যবসা করবেন বলে চিন্তা করতেছেন তারা আগে চকবাজার গিয়ে একটু বাজার যাচাই বাচাই করে আসতে পারেন। তা হলে এই ব্যবসা করার অনেক ধারনা ও উৎসাহ পয়ে যাবেন।
কেউ যদি চায় সে ফেরি করে কসমেটিক্স জিনিস বিক্রি করবে, সে ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকা দিয়েও শুরু করতে পারবে।
8। জুতার ব্যবসাঃ
কেউ যদি চায় সে জুতার ব্যবসা করবে তবে সেটাও লাভ জনক ব্যবসা। পাইকারী দরে জুতা কিনে খুচরায় বিক্রি করলে অনেক লাভ করা যায়। আবার কেউ চাইলে ম্যনুয়ালী জুত তৈরির মেশিন কিনে জুতা মিজেই তৈরি করে ব্যবসা করত পারে সে ক্ষেত্রে লাভ আরো বেশী। জুতার ব্যবসা করার জন্য আপনাকে জুতার পাইকারী বাজার খুজতে হবে। সেখান থেকে জুতা পাইকারী দরে কিনে আপনার এলাকায় বা আপনার যে দোকান সেখানে নিয়ে খুচরায় বিক্রি করে অনেক টাকা প্রফিড করতে পারেন। বাংলাদেশের মধ্য সবচেয়ে বড় জুতার পাইকারী মার্কেট, ঢাকার গুলিস্থানে অবস্থিত। আপনারা চাইলে সেখান থেকে সরাসরি গিয়ে কিংবা কন্ডিশনে সম্পূর্ণ পাইকারি দরে জুতা কিনে ব্যবসা করতে পারেন। জুতার ব্যবসা করতে সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করতে পারবেন। কেউ যদি চায় রাস্তায় ভেনে করে জুতা বিক্রি করবে সে ক্ষেত্রে 8/৫ হাজার টাকা দিয়ে করতে পারবে।
৫। মুরগীর র্ফাম করা:
আপনি চাইলে গ্রামের বাড়ীতে বয়লার, লেয়ার মুরগীর খামার করে ব্যবসা করতে পারেন এক্ষেত্রে আপনি দুই ভাবে করতে পারেন।
ক) নগদ টাকায় ব্যবসা।
খ) বাকীতে ব্যবসা।
নগদ টাকার ব্যবসা বলতে আপনার শুধু মুরগী পালনের যে ঘর সেই ঘর টা তৈরি করতে হবে আপনার টাকা দিয়ে। বাকী সব কিছু আপনি যখন বাচ্চা কিনতে যাবেন তখন তারা আপনাকে বলবে নগদে ব্যবসা না কি বাকিতে করবেন। যারা মুরগীর বাচ্চা, খাদ্য, ও ঔষুধ সাপ্লায় দেয় তারা ১ মাসের জন্য সম্পণ্য বাকিতে দিয়ে থাকে আপনি সুধু মুরগি লালন পালন করে ১ মাস পরে মুরগি বিক্রি করে লাভংশ রেখে ওদের টাকা দিয়ে দিবেন এই ভাবে আপনি বাকিতে ব্যবসা করতে পারেন। আর নগদ টাকার ব্যবসা হল সম্পর্ণ টাকা আপনাকে নগদে দিয়ে বাচ্চা, খাদ্য, ঔষুধ, নিতে হবে। তবে বাকিতে ব্যবসা করাই ভালো এক্ষেত্র মুরগী বিক্রি করার কোন টেনশন আপনার থাকবে না বা চিন্তা করা লাগবে না। এই ভাবে সিমিত টাকা দিয়ে একটা ছোট করে মুরগির ঘড় তৈরি করে বাকিতে বা নগদে চাচ্চা এনে ব্যবসা করতে পারেন। এটা একটি লাভজনক ব্যবসা অনেকেই মুরগীর খামার করে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। চাইলে আপনিও হতে পাতেন সফল উদোক্তা।
৬। মুরগি বিক্রি ব্যবসা
এই ব্যবসাও অনেক লাভ জনক, ফ্রার্ম থেকে পাইকারী দরে মুরগি কিনে এনে দোকেনে এনে খুচড়া বিক্রি করে প্রফিড করতে পারেন। যদি কেহ চায় যে রাস্তায় ভেনে করে বিক্রি করবে তাও পারবে, সেক্ষে অল্প টাকা মূলধন হলেই চলবে। বর্তমানে এই ব্যবসা অনেকেই করতেছে এবং খুব ভালো প্রফিড করতে পরতেছে। যদি কেউ বড় সরে এই ব্যবসা করতে চান তাও করতে পারেন। ফ্রার্ম থেকে পাইকারী কিনে খুচরো দোকানে দোকানে পাইকারীই একটু বেশীতে বিক্রি করতে হবে। এভাবে করেও ব্যবসা করে অনেক টাকা প্রফিড করতে পারবেন।
৭। মুরগীর ডিমের ব্যবসা
মুরগীর ডিমের ব্যবসা করেও আপনি লাভবান হইতে পারবেন। ফ্রার্ম থেকে পাইকারী দরে বা ডিমের পাইকারী বাজার থেকে কম রেটে ডিম কনে এনে আপনর দোকানে খুচরায় বিক্রি করে প্রভিট করতে পারেন। ডিমের ব্যবসা আপনি চাইলে দোকান দিয়েও করতে পারে আবার চাইলে বাজারে রাস্তায় বসেও বিক্রি করে প্রফিড করতে পারবেন। সব বয়সের মানুষের ডিম খুব প্রিয়। ডিমের ব্যবসা করে অনেকই প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছেন। আপনিও সঠিক উদোগ গ্রহন করে হতে পারেন এক জন সফল ব্যবসায়ী।
১৩। গ্রামো ডাক্তার বা পল্লি চিকিৎসক।
আপনি যদি SSC বা HSC পাস করে বেকার হয়ে বসে আছন কি করবেন বুঝতে পারছেন না। তাহলে ই ব্যবসাটি আপনার জন্য। এই ব্যবসা করার জন্য আপনাকে পল্লী চিকিৎসক এর একটা প্রশিক্ষণ আছে ৩/৬ মাস মেয়াদি সেটা কমপ্লিট করতে হবে। প্রশিক্ষণ নিয়ে গ্রামের বাজারে একটা ছোট ঔষুধের দোকান দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করতে পারবেন, এবং এই ব্যবসায় আপনার সুনাও বৃদ্ধি পাবে। মানুষের সেবা দেওয়ার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন এই ক্ষেত্রে আপনি ৩ গুন বেশি লাভ করতে পারবেন। আপনাকে যাস্ট একটা টেড লাইসেন্স নিতে হবে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে।
১8। মোবাইল সর্ভিসিং এর দোকান।
আপনারা যারা একটু শিক্ষিত আছেন তারা চাইলে মোবাইল সর্ভিসিং এর ৬ মাসিক প্রসিক্ষন গ্রহন করে, নিজ এলাকার বাজারে বা শহরে মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকন দিয়ে ভাল টাকা ইনকাম করতে পারবেন, সেই সাথে দোকানে কিছু মোবাইল এক্সিরেন্স ও কিছু ইলেকট্রক্যল পন্য নিয়ে দোকান শুরু করতে পারেন এতে করে আপনার দোকানের কাস্টমার বেড়ে যাবে। দেশে হাজার হাজার বেকার যুবোক এই প্রসিক্ষন গ্রহন করে মোবাইল সার্ভিসিং এর পাশাপাশি মোবাইল এক্সসিরিন্স ও ইলেকট্রক্যলের পন্য বিক্রি করে ব্যবসা করে খাচ্ছে। আপনিও উদ্যগ গ্রহন করে হতে পারেন সফল ব্যবসায়ী।
১৫। এল. ই. ডি LED লাইটের ব্যবসা।
এই টা একটি আধুনিক ডিজিটাল ব্যাবসা বলতে পারেন। আপনারা যারা কম টাকায় একটি ভাল ব্যাবসা খুজছেন তারা এই ব্যাবসা টি নিয়ে ভাবতে পারেন। আপনি চাইলে LED লাইট পাইকারী কিনে ব্যাবসা করবেন সেটাও করতে পারবেন আবার আপনি যদি চান আপনি লাইটের কাঁচা মাল কিনে নিজেই লাইট তৈরি করে নিজের নামে ব্যন্ড করে ব্যবসা করবেন সেটাও করতে পারবেন। তার জন্য আপনাকে যাইতে হবে রাজধানীর গুলিস্থান সুন্দরবন স্কয়ার সুপার মার্কেটে বা কাপ্তান বাজার মার্কেটে। আপনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ওখানে গিয়ে ওদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এই এ.ই.ডি লাইটের ব্যবসা করতে পারবেন। নিজেই তৈরি করে খুচরা কিংবা পাইকারী বিক্রি করে প্রচুর প্রফিড করতে পারবেন। এই ব্যবসা করতে তেমন মূলধন লাগে না যদি পাইকারি কিনে খুচরা বিক্রি করেন তাইলে ১০ হাজার টাকা দিয়েই শুরু করতে পারবেন। কেউ চাইলে আরো কম দিয়েও শুরু করতে পারবেন। তবে যদি কাঁচা মাল কিনে নিজেই তৈরি করেন তাইলে ২৫ শত টাকার সরণয্যাম কিনতে হবে। লাইটের কাঁচামাল সেটিং করার জন্য। আরো পড়ুন...
আরো জেনে নিন👇👇
কোন খাবার খেলে কিডনি ভাল থাকে?
চোখ উঠা রোগের কারন লক্ষণ ও প্রতিকার
কালা জ্বর কি এবং কালা জ্বর কেন হয়?
উচ্চ রক্তচাপের প্রাথমিক লক্ষণ ও চিকিৎসা

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন