কুকুরের কামড়ে করনীয় ও চিকিৎসা- Dog bite
কুকুরের কামড়র-Dog bite
![]() |
| কুকুরের কামড় |
কুকুরের কামড় অবহেলা করা ঠিক নয় পাগলা কুকুর কামড়াইলে জলাতঙ্ক রোগ হয় এবং প্রতিশোধ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে রোগী মারা যায়।
👉 চিকিৎসা
১। কুকুর কামড়ানোর সাথে সাথে ক্ষতস্থানে বারবার সাবান দিয়ে পানি দিয়ে ধুতে হয়।
২। ক্ষতস্থানে এন্টিসেফটিক লোশন লাগাইয়া পরে মারকিউরোক্রম লাগাতে হয় অথবা কার্বলিক এসিড দিয়ে পুড়ে দিতে হয়।
৩। ক্ষতস্থানে রক্তপাতের জন্য খোলা রাখিত হয়।
8। কুকুরটিকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত গতিবিতি লক্ষ্য করার জন্য বাঁচিয়ে রাখতে বা নজর রাখিতে হয়। যদি কুকুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকে তবে জলাতঙ্ক রোগের ইনজেকশন দরকার নেই । অন্যথায় ইনজেকশন দেওয়ার যথেষ্ট প্রয়োজন আছে বলে মনে করতে হবে। এই রোগের জন্য নাভির চতুরপার্শ্বে Anti-rabies Vaccine 14 টি ইনজেকশন করতে হয় । নাভির মোটা চামড়া নিচে একটি করে ইঞ্জেকশন প্রতিদিন করিতে হয়। প্রতিটি এ্যাম্পুলে 5 cc ওষুধ থাকে, বয়স অনুসারে 1 সিঃ সিঃ হইতে 5cc ঔষধ ইনজেকশন দিতে হবে।
অথবা
বর্তমান বহুল ব্যবহৃত ইনজেকশন Inj. RABIPUR (রাবিপুর) ব্যবহার করা হয়।
সক্রিয় উপাদানঃ
পিউরিফাইড চিক এমব্রাইও সেল রেবিস ভ্যাকসিন
মানবদেহে ব্যবহারের জন্য
ব্যবস্থাপত্র তথ্যঃ
উৎপাদনঃ এক ডোজ (মিলি) এ রয়েছে,
ইনএকটিভেটেড রেবিস ভাইরাস> 2.5 আই ইউ। নিওমাইসিন হাইড্রোক্লোরাইড-10, মাইক্রোগ্রাম, ক্লোরটেট্রাসাইক্লিন হাইডোক্লোরাইড-5 মাইক্রোগ্রাম, এমফোটেরিসিন বি-0.5 মাইক্রোগ্রাম,
দ্রবনঃ পাইরোজেনমুক্ত পানি।
ব্যবহার নির্দেশিকাঃ রাবিস প্রি ও পোস্ট এক্সপোজার চিকিৎসা।
প্রতি নির্দেশনাঃ এক্সপোজারের ক্ষেত্রে কোন নিষেধ প্রযোজ্য নয়। মৃত্যুর ঝুঁকি বিবেচনা করে প্রতিটি সন্দেহপূর্ণ এক্সপোজার ভেকসিন চিকিৎসার আওতায় পড়ে।
প্রি-এক্সপোজারঃ রোজা অতি ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ যেমন ডাক্তার, পশু চিকিৎসক, নার্স বৃন্দের ভ্যাকসিন চিকিৎসা সুপারিশ করা যেতে পারে। অসুস্থ ও সদ্য রোগ মুক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রি-এক্সপোজার ভেকসিন চিকিৎসা স্থপিত রাখতে হবে। যারা নিওমাইসিন, ক্লোরটেট্রাসাইক্লিন, এমফোটেরিসিন-বি বা চুক-প্রোটিন এর প্রতি সংবেদনশীল তাদের ক্ষেত্রে রাবিপুর প্রোফাইলেটিক ভেকসিন প্ররিহার করা উচিত।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াঃ শতকরা পাঁচ জনের কম রোগীর বেলায় মৃদু ও স্থানীয় মাথাব্যথা, অলসতা, চর্ম প্রক্রিয়া, সামান্যতা বৃদ্ধি পেতে পারে।
সাবধানতাঃ ইমিউনোসাপ্রেসিভ ঔষুধ, অতিমাত্রায় অ্যালকোহল চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে পরিহার করা উচিত।
মাত্রাঃ সকল বয়সের জন্য ১ মিলি ১ মাত্রা।
(ক) পোস্ট এক্সপোজার চিকিৎসা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আরম্ভ করা উচিত। শিশু ও বয়স্কদের জন্য ছয় মাত্রা পূর্ণ চিকিৎসা-0,3,7,14,30, এবং 90 তম দিনে রাবিপুর ইনজেকশন দিতে হবে। তীব্র কামড় যেমন মাথায়, মুখেে, কাঁধে, হাতে, বন্য সন্দেহজনক নিশ্চিত রেবীগ্রস্ত প্রাণীর লালা ক্ষতস্থান বা মিউকাস আবরণে স্পর্শ হলে ভ্যাকসিন এর সাথে সম্পূরক পেসিভ ইমিউনাইজেশন দিতে হবে- নিম্নমাত্রায়ঃ
রেবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিন (হিইম্যন 20 আই. ইউ প্রতি কেজি ওজনে।
রেবিস ইমিউনোসিয়াম (প্রাণী)-40 আই.ইউ প্রতি কেজি ওজনে।
এই ওষুধটি অর্ধেক ক্ষত স্থানে বাকি অর্ধেক গ্লুটিয়াল মাংসপেশীতে ইনজেকশন করতে হবে।
(খ) প্রি-এক্সপোজার চিকিৎসায় 3 মাত্রা 0, 7 এবং 21 তম দিনে রাবিপুর ইনজেকশন দিতে হবে। বুস্টার ভ্যাকসিন হিসেবে প্রথমে ১ বছর পর ও পরে 2 বা 5 বছর পর ইনজেকশন দিতে হবে ।
ইনজেকশন পদ্ধতিঃ বহুর মাংসপেশিতে।
✋আরো জেনে নিন👇
👉হাইপার/হাইপো এসিড গ্যসট্রাইটিজ-Hyper/Hypo acid Gastritis-2023
👉হুপিং কাশি-whooping Cough 2023
👉খাইজানি, পাঁচাড়ী, চুলকানী-Scabies 2023
👉নবজাত, শিশু, কিশোররোগ বিশেষঙ্গ ও সার্জন-2023
👉গলার স্বর বসিয়ে যাওয়া বা গলা ভাঙ্গা
👉আগ্ন্যাশয় প্রদাহ-Acute Pancrities
👉ব্লাড ক্যন্সার কি ব্লাড ক্যান্সার কেন হয়-?
👉পিত্ত পাথরী/ পিত্তথলীতে পাথর হয় কেন
👉পেটে জরুরি বা সংকট অবস্থা কি?
👉এপেনডিসাইটিজ-(Apendicities) কি
👉ডায়ালাইসিস রোগির খাদ্য ও পুষ্টি
👉কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে কত টাকা লাগে

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন