কিডনি প্রদাহ- Inflamation of kideney লক্ষণ ও প্রতিকার
কিডনি প্রদাহ- Inflamation of kifdney
Dr. A, NA, A, Hosin- MBBS.
![]() |
| কিডনি প্রদাহ |
কিডনি প্রদাহের ইংরেজি নাম নেফ্রাইটিজ। কি কারনে কিডনি প্রদাহিত হয় নিম্নে তাহার কারন গুলি উল্লেখ করা হলঃ
কিডনি প্রাদাহের কারন বা লক্ষণ
১। অনেক সময় ডিপথেরিয়া, হাম, টাইফয়েড, জ্বর, বসন্ত, ম্যলেরিয়া, ইরিসিপেলাস, কলেরা, টাইফাস, আমাসা, ডায়রিয়া, প্রভৃতি পীরার পরেও নেফ্রাটিস হতে পারে।
২। ভিজা বা স্যাত স্যাত স্থানে বসবাস এবং অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগিবার কারনেও কিডনিতে রোগ দেখা দিতে পারে।
৩। এ্যালকোহল এই রোগের অন্যতম কারন হিসাবে বিবেচ্য।
8। অর্জীর্ণ রোগে আদার রস সেবনে কিডনি রোগ হইতে পারে।
৫। ম্যালেরিয়া জ্বর সিফিসিস, যক্ষা, স্কার্লেট বা আরক্ত জ্বর প্রভৃতি পীড়া হতেও কিডনি প্রদাহ হইতে পারে।
৬। আগুনে মারান্তক ভাবে পুরে যাওয়ার ফলেও কিডনি রোগ হইতে পারে।
৭। বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগকেও কিডনি প্রদাহের কারন হিসাবে ধরা যাইতে পারে।
৮। এ্যালকোহল পারদ ইত্যাাদির অপব্যবহার করিলেও কিডিনি প্রদাহ হইতে পারে।
৯। অতিরিক্ত আঘাত ও প্ররিশ্রম জনিত কারনেও কিডনি প্রদাহিত হতে পারে। এই গুলি ছাড়াও বহুবীধ জানা-ওজানা কারনে কিডনি প্রদাহ হয়ে থাকে বা হইতে পারে। প্রসাব পরীক্ষায় পাসসেল বেশি পাওয়া গেলে এবং উহার চিকিৎসা না করাইলেও কিডনি প্রদাহ হইতে পারে। তরুন কিডনি প্রদাহ ২ সপ্তাহ হইতে ২ মাস পর্যন্ত থাকিতে পারে বা ক্রণিক প্রদাহ রোগীর অজান্তেই শুরু হয়।
তরুন কিডনি প্রদাহের লক্ষন
১। তরুন প্রদাহের প্রাথমিক পর্যায়ে রোগীর ১০৩°/১০8° পর্যন্ত জ্বর থাকিতে পারে এবং পিঠ হইতে কমড় পর্যন্ত খিচাইয়া ব্যথা শুরু হয়।
২। শরীরে রক্তহীনতা দেখা দেয়, গায়ের চামড়া শুকনো, খসখসে ও ফ্যকাশে হয়।
৩। রোগীর ক্ষুুদাহীনতা প্রকাশ পায়।
8। শ্বাস- প্রাাস্বাস দ্রুত হয় এবং জ্বালাপোড়া বেশীর জন্য রোগী প্রেস্রাব করিতে খুব কষ্ট পায়।
৫। মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা ও নাড়ীর গতি দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
৬। রোগির বমি বমি ভাব হয় ও বমি হতে পারে।
৮। শোথ প্রথমে চোখের নিচের পাতায় ও পায়ের গেটে দেখা দেয়।
৮। ধীরে ধীরে শোথে রোগীর সমস্থ শরীর ফুলিয়া যায়।
ঠান্ডা লাগার কারনে কিডনি প্রদাহ হইলে রোগীর সর্বাঙ্গ শরীর শোধ দেখা দেয়। শোধ বৃদ্ধি হইলে প্রসাব কমিয়া যায়, আবার শোথ কমিয়া গেলে প্রেস্রাব বৃ্দ্ধি পায়। তরুন কিডনি প্রদাহে প্রসাব একেবারেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। প্রস্রাবের পরিমান হ্রাস পায় কিন্তু প্রস্রাব পরীক্ষয় Albomin, Specific Gravity, Blood( আপেক্ষিক গুরুত্ব ) ইত্যাদি বৃদ্ধি পায়। এই জন্য প্রস্রাবের রং লাল, ঘোলাটে আবার কখনো স্বাভিক থাকে। Pus call বেশি হয়।
পুরাতন (ক্রণিক) কিডনি প্রদাহের বেলায় রোগির ক্ষুুধামনদা, আলস্যতা, অর্জীনতা, অস্ত্রের গোলযোগ, উদারময়, কোষ্ঠবদ্ধতা, আমাশায়া ইত্যাাদি হইয়া থাকে। সন্ধায় পায়ের গোড়ালী ফুলিয়া উঠে এবং রাত্রে বৃদ্ধি পায়। Astites Plural Caavity তে পানি জমে। অন্ডো কোষে পানি জমে, শোথে মুখমন্ডল ভার দেখায়।
তরুন কিডনি প্রদাহে জটিলতা
কখনো কখনো পেরিকাডাইটিস, পেরিটোনাইটিস, পালমোমারী, কনজেসশন, মেনিনজাইটিস, রেটিনাইটিস, নিউমোনিয়া ও হৃদরোগ ইত্যাদি হইতেবপারে।
তরুন কিডনি প্রদাহে রোগী হঠাৎ আরোগ্য লাভ করিতে পারে। ঠান্ডা লাগার কারনে যদি কিডনি প্রদাহ হয়, তা হলে অল্প সময়ে রোগী আরোগ্য লাভ করে। সাধারন তরুন কিডনি প্রদাহ ১/৬ সপ্তসহ স্থায়ী হয়। যদি দুই মাস বা ততোধিক কাল স্থায়ী হয় তখন পুরাতন পীড়ায় আকরান্ত হয়। পুরাতন কিডনি প্রদাহ কালে অনেক রোগী মারা যায়।
কিডনি রোগের টেস্ট
1. Urine R/M/E
2. U.S.G of KUB
3. Renogramme
4. E.C.G
5. Blood Urea (15-40)
6.Greatinine. (8-1.5)
তরুন কিডনি প্রদাহের চিকিৎসা
১। ব্যথার তীব্রার উপর নির্ভর করিয়া ঔষুধ সেবন করিতে হইবে। প্রচন্ড ব্যথার জন্য (Diclofanac Sodium ) ডাইক্লোফিনাক সোডিয়াম যুক্ত ঔষুধঃ
যেমন- Inj. Colfinac 75mg, বা jnj, Vurdon 75mg , বা Valtaren 75 mg. ইত্যাাদি।
মাত্রাঃ একটি করিয়া ইনজেকশন ১২ ঘন্টা পর পর ২ দিন। ব্যথা কমলে উক্ত ঔষুধ বড়ি আকারে খাইতে হয়।
২। ডাইক্লোফিন্যাক পটাশিয়াম (Dicalofenac Potassium) যুক্ত ঔষুধ সেবন করতে হবে।
যেমন- Tab. Cataflame 25/50 mg.
৩। পেটে যেনো এসিড না হয় সে জন্য (Ranitidine) রেনিটিডডিন যুক্ত ঔষুধ সেবন করতে হয়।
যেমনঃ Tab. Zantac 150mg.
8। কোট্টাইমোক্সাজল (Cotrimoxazol) যুক্ত ঔষুধঃ
যেমন- Tab. Fisat, Tab. Polytrim.
মাত্রাঃ পূর্ণ বয়স্ক ২ টি করে সকাল বিকেল ৫/৭ দিন।
শিশুদের জন্য সিরাপ আকারে সেবন করতে হবে।
পথ্য ও আনুসাঙ্গিক ব্যবস্থা
১। রোগীর তরুন উপসর্গ গুলি না কমা পর্যন্ত রোগিকে বিছানা থেকে উঠা যাইবে না।
২। রোগীর পায়ে যাতে কোন প্রকার ঠান্ড না লাগে সেই দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
৩। রোগিকে প্রচুর পরিমানে তরল পদার্থ পান করার জন্য উৎসাহিত করতে হবে।
8। এই রোগের জন্য উত্তম পথ্য দুধ, দুধে আ্যাালবুুমিন আছে।
৫। রোগ সম্পূর্ণ আরোগ্য না হওয়া পর্যন্ত চা, কফি, এ্যাালকোহল ও প্রচুর মসলা যুক্ত খাবার বন্ধ রাখতে হবে।
৬। পানির সহিদ লেবির রস মিশাইয়া পান করিলে উপকার হয়। লেবুর রস ডাই-ইউরেটিক হিসাবে কাজ করে। প্রদাহ ও এলবুমিন নিঃসরণ কমায়।
৭। রোগী আরগ্য হইলেও ১/২ মাস পর্যন্ত গোস্ত, ডাল, ও ভাত খাওয়া চলবে না।
৮। কেবল দুধের উপর নির্ভর না করিয়া, আলু, পটল, ডুমুর, মানকচু, ইত্যাাদি ঝোলভাত দেওয়া হয়।
৯। Ascorvic Acid (এসকরবিক এসিড) যুক্ত ঔষুধঃ যেমন Tab. Vitamin-C একটি করিয়া দিনে ৩ বার চুষিয়া খাইতে হয়।
১০। ৫/৭ দিন পর পূনরায় প্রস্রাব পরীক্ষা করিয়া পূর্ণরায় প্রযোজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা লইতে হবে। আরো পড়ুন...
আরো জেনে নিন

Nicr
উত্তরমুছুনVai blood canser neya lekbin
উত্তরমুছুনAmar vai er majai batha kora, ata ki kidney problem na ki?
উত্তরমুছুন