হিমো ডায়ালাইসিস কি

হিমো ডায়ালাইসিস কি 

হিমো ডায়ালাইসিস
হিমোডায়ালাইসিস
কোন ব্যক্তির কিডনি যখন সম্পন্য নষ্ট বা বিকল হয়ে যায়, তখন বেঁচে থাকার এক মাত্র উপায় হল ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি সংযোজন।

যখন দুটি কিডনি বিকল হয়ে পড়ে তখন শরীরে কিডনির কাজ বন্ধ থাকে অর্থাৎ কিডনি কোন কাজ করতে পারে না। যার ফলে শরীরে দুষিত বর্জ্য রক্ত মিষতে থাকে এবং এটি ধিরে ধিরে পুরো শরীরকে দুষিত করে ফেলে এবং রোগীকে প্রতিনিয়ত মৃতুুর দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। ডায়ালাইসিস হল এই সকল দুষিত বর্জ্য আনফিল্টারেশনের মাধ্যমে শরীর বা রক্ত থেকে বের করে দেওয়া। আর এই দুষিত বর্জ্য রক্ত থেকে বের করে দেওয়ার প্রকৃয়াকেই ডায়ালাইসিস বলা হয়

ডায়ালাইসিস কখন করা হয়

একটা কিডনি রোগীর চিকিৎসা পদ্বতিকে ৫ টা স্টেজে ভাগ করা হয়ে থাকে। যখন এক জন রোগী স্টেজ ৫ নাম্বারে চোলে যায় তখন ডায়ালাইসিস ছড়া তাকে বাঁচানো সম্ভব হয় না। অর্থাৎ কিডনি যখন ১০০% বিকল হয়ে যায় তখন রোগিকে ডায়ালাইসিস শুরু করা লাগে।

ডায়ালাইসিস সপ্তাহ কয়টা করা লাগে

প্রথম ডায়ালাইসোস রোগীর কন্ডিশনের উপর নির্ভর করবে। দেখতে হবে একটা ডায়ালাইসিস করে রোগী কত দিন ভাল থাকে। যদি একটা ডায়ালাইসিস নিয়ে ১ মাস ভাল থকে তাইলে ১ মাস পরে আরেকটা নিবে যদি ১৫ দিন ভাল থাকে তাইলে ১৫ দিন পরে আরেকটা নিবে। যদি ৭ দিন ভাল থাকে তাইলে পরবর্তী ডায়ালাইসিস ৭ দিন পরে নিবে। যদি ৩ দিন ভাল থাকে তাইলে ৩ দিন পর আবর ডায়ালাইসিস করতে হবে। এই ভাবে প্রথম পর্যায়ে ডায়ালাইসিস করতে হবে।

পরবর্তীতে যখন দীর্ঘ্য দিন ডায়ালাইসিস করতে হবে তখন তাক কোন ডায়ালাইসিস সেন্টারে সিডুল নিয়ে সপ্তহ ২/৩ বার 8 ঘন্টা করে  ডায়ালাইসিস করতে হবে। যাদের বয়স কম তাদের সপ্তাহে সর্বচ্চ ২ টির বেশি ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হয় না। বয়স্কবদের সপ্তহ ৩ টিও লাগতে পারে।

ডায়ালাইসিস কত প্রকার ও কি কি

ডায়ালাইসিস ২ প্রকারের হয়ে থাকেঃ

ক) হিমো ডায়ালাইসিস

খ) পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস

১। হিমো ডায়ায়ালাইসিসঃ রোগীকে যখন কোন ডায়ালাইসিস সেন্টারে গিয়ে ডায়ালাইসিস সেবা নিতে হয় বা ডায়ালাইসিস মেশিনের সাহার্য্য রক্ত পরিষধন করা হয় সেটাকে বলা হয় হিমো ডায়ালাইসিস প্রকৃয়া। 

২। পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিসঃ এই ডায়ালাইসিসের সুভিধা হল রোগী বাসায় বসেই ডায়ালাইসিস করতে পারে। রোগী যখন বাসায় বসে নিজে নিজে ডায়ালাইসিস করতে পারে সেই পদ্ধতি কে পেরিটোনিয়া ডায়ালাইিস বলা হয়। এই পদ্ধতিতে রোগীর পেটের ভিতরে নল দিয়ে সংযোগ করে দেওয়া হয় যাতে রোগী নিজে নিজে মেডিসিন দিয়ে ডায়ালাইসিস করতে পারে। যে সকল এলাকায় হিমোডায়ালাইসিস সেন্টার নাই সেই সব এলাকায় রোগীকে পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।

ফিস্টুলা কি

ফিস্টলা হল ধমনী ও সিরার মধ্য সংযোগ সৃষ্ট করার প্রকৃয়া আর এই প্রকৃয়া কেই বলা হয় ফিস্টুলা বা AB Fistola.

ফিস্টলা কেন করা হয়

কিডনি রোগীদের লং টাইম হিমো ডায়ালাইসির জন্য, হতের মধ্যে  ধমনী ও শীরার মধ্য যে সংযোগ সৃষ্টি করে হেওয়া হয় যাতে করে ব্লাড ফ্লো বেশি পাওয়া যায়। এই টা মূলতো আরটারী ভেনাস ফিস্টুলা। আরটারী ও ভেনাস লাইনে নিডল লাগিয়ে ডায়ায়ালাইসিস মেশিনের সাহার্য্য হিমো ডায়ালাইসিক করাানো হয়। ফস্টুলা তৈরি করে ২/৩ মাস রেস্টে রাখতে হয় এবং ব্যয়াম করতে হয় যাতে ফিস্টুলা হাতের রগ গুলো মোটা হয় এবং রক্তের ফ্লো বৃদ্ধি পায়।

এস সময় ডায়ালাইসিস করার জন্য পায়ের রানে অথবা গলায় ক্যাথেটার লাগিয়ে ডায়ালাইসিস চালিয়ে যাইতে হয়। যখন ফিস্টুলা হিয়ে ডায়ালাইসিস করার উপযুক্ত হয় তখন ফিস্টুলা চালু করে ক্যাথেটার খুলে দেওয়া হয়। আরো পড়ুন...


আরো জেনে নি👇👇

কোন খাবার খেলে কিডনি ভাল থাকে

উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসার প্রাথমিক ব্যবস্থা  লক্ষণ ও করণীয় 

হৃদরোগে হঠাৎ অসুস্থতার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার







মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ইন্টেসটিন্যাল টি, বি, জনিত ডায়ারিয়া Diarrhoea from T. B. of Intestine)-Bangla News-2023

হিরো আলম- "Hero Alom" Human of the bangladesh-বাংলা নিউজ-2023

অন্ত্রের প্রদাহ/ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্র প্রহাহ/ননস্পেসিফিক আলচারেটিভ কোলাইটিস (Enteritis and Colitis)- বাংলা নিউজ-২০২৩