গর্ভবর্তী মায়ের কয়েকটি সাধারন উপসর্গ ও চিকিৎসা
গর্ভবর্তী মায়ের কয়েকটি সাধারন উপসর্গ ও চিকিৎসা
![]() |
| গর্ভকালীন ঘন ঘন বমি হওয়া |
১। বমি বমি ভাব বা বমি- Vomitting tendency.
ইহা সাধারণত তিন ২/৩ মাসে দেখা যায়। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। সকল বেলা সামান্য শুকনো খাবার যরমন- চিড়া, মুড়ি, বিস্কুট, রুটি, কেক, খাইলে মা সুস্থ বোধ করেন। তবে অতিরিক্ত বমির ফলে চোখ মুখ বসিয়া গেলে বা অস্থির হইয়া গেলে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
ঘন ঘন বমি করলে গর্ভবতী অবস্থায় শরীর দুর্বাল হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে হালকা ও শুকনো খাবার খাইতে হয়।
২। কোষ্ঠকাঠিন্য- Constipation
গর্ভকালীন সময় ইহা খুবই স্বাভাবিক, প্রচুর পরিমানে পানি ও অধিক পরিমানে শাকসবজি খাইলে ইহা থেকে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তবে মিল্ক অব ম্যগনেশিয়া শুখাইবার সময় 8 চামচ গরম পানি সহ খাইলে অথবা ইসুবগুলেরভুসি ২ চামচ রাত্রে পানিতে ভিজিয়ে সকালে সরবত বনিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থাকবে না।
৩। বুক জ্বালা ও চুকা ঢেকুর উঠা- Heart burn and Acidity
এই একটি অতি সাধারন উপসর্গ। অতিরিক্ত মসলা যুক্ত ও ভাজা পোড়া খাবার বর্জন করিলে এর কষ্ট দূর হয় তবে নন্টাসিড বড়ি/সিরাপ খেলে উপকার পাওয়া যায়।
8। পা ও হাত ফোলা- Oedama
সাধারণত গর্ভের শেষ দুই মাসে পায়ে পানির ভাব দেখা দিতে পারে, তবে সাধারণ ভাবে ঘুমাইলে বা বিশ্রাম নিলে কমিয়া যায়, ঘুমানোর সময় বালিশে পারেখে ঘুমাইলে ভাল উপকার পাওয়া যায়।
অতিরিক্ত পা ফোলা বা এর সাথে শরীরের অন্য অংশ ফোলা দেখা একটি বিপদের লক্ষন এটি দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
অতিরিক্ত রক্তসল্পতা ও অপুষ্টির জন্য এই রোগ হয়ে থাকে। শক্তশালী রক্ত বর্ধক ও ভিটামিন ঔষুধ প্রয়োগ করিতে হয়।
৫। সাদাস্রাব- White discharch
গর্ভকালীন সাদা স্রাব স্বভাবিকের চেয়ে একটু বেশীই হয়ে থাকে। উপযুক্ত পরিছন্নতা রক্ষা করিলে কোন সমস্যা হয় না। কিন্তু দুর্গন্ধ বা অনিয়ম হলে চিকিৎসার দরকার পরে।
৬। কোমড় ব্যথা ও হাটুর পিছনে ব্যথা- Pain of Swelling of knee joint.
ইহা সাধারনত গর্ভগালীন প্রায় সকল মিলারই থাকে। এর বিশেষ কোন ব্যবস্থা নেই। বিশ্রাম ও ম্যসেজ করিলে অনেক উপকার পাওয়া যায় এটি স্বাভিক ভাবে সারিয়া যায়।
৭। তল পেটে অতিরিক্ত ব্যথা- Lower Abdominal pain.
গর্ভকালীন সময়ে প্রায় সকল মহিলাদের হয়ে থাকে। তবে স্বাভিক অবস্থায় বিশ্রাম নিলে এটি সসরিয়া যায়, তবে আপনা আপনি যদি সারিয়া না যায় তবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
৮। হঠাৎ পানি ভাঙ্গা- Leakage of Membranc
অনেক সময় ভ্রণথলিতে ছিদ্র হয়। পারযাপ্ত বিশ্রাম নিলে ঠিক হইয়া যায়। তবে জটিলতার সৃষ্টি হইলে হসপিটালে নিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে।
৯। খিচুনী- Convulsion.
অনেক ক্ষেত্রেই ইহা হয়ে থাকে, বিষেশ করিয়া মানসিক আঘাত, হিষ্টিরিয়া রোগীদের প্রায়ই দেখা যায়। এটার জন্যও জরুরি ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
১০। গর্ভকালীন রক্তস্রাব- Uterine Bleeding of pregnent Women.
যদি কারো প্রতি মাসেই এই নিয়ম থাকিলে বিশ্রামে সারিয়া যায়। তবে এটি হঠাৎ আঘাত জনিত কারনে হলে জরুরী ভিত্তিতে Inj. Anaroxyl একটি বা বড়ি দিনে ৩ টা করিয়া খাইতে হবে।
গর্ভকালীন রক্তস্রাপে রোগীর শুন্যতা দেখা যায় এবং জটিলয়া সৃষ্টি হয়
উপরক্ত যেকোন সম্যয় রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে। আরো পড়ুন...
দেরিতে স্রাব বা রাজঃস্রাবে বিলম্বের কারন কি?
কালা জ্বর কি? কালা জ্বরের লক্ষণ কি?

❣️❣️❣️
উত্তরমুছুন