পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রক্তহীনতা-Anaemia -2023

ছবি
রক্তহীনতা-Anaemia ডাঃ এ, এন, এ, হোসেন-এম.বি.বি.এস রক্তহীনতা-Anaemia মানুষের শরীরে প্রয়োজনে তুলনায় কম রক্ত থাকলে এমন ব্যক্তিকে রক্তহীনতায় ভুগিতেছে বলা হয়। রক্ত একটি তরল পদার্থ। ইহা দেখিতে গারো লাল। ইহাতে অসংখ্য লোহিত কণিকা ভাসমান থাকে বলিয়া লাল বর্ণ দেখায়। পূর্ণবয়স্ক একজন লোকের শরীরে রক্তের পরিমাণ আনুমানিক 5 শের। স্বাভাবিক অবস্থায় ইহা তরল থাকে। শরীর হতে বাহির হইবার পর দুই হতে পাঁচ মিনিটের মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধিয়া যায়। রক্তহীনতা কোন রোগ নয়- ইহা বিভিন্ন রোগের একটি লক্ষণ মাত্র। একজন সুস্থ ব্যক্তি শহীদ রক্তশূন্যতায় বগিতেছে এমন এক ব্যক্তির তুলনা করিলে ইয়া আরো পরিষ্কার বোঝা যায়।  এই বিশ্বের সর্বত্রই রক্তহীনতা ভোগা রোগী আছে। তদুপরী পাকভারত ও উপমহাদেশে ও দূরে প্রাচ্যের  দেশগুলোতে রক্তহীনতা শিকার রোগী সংখ্যা অপেক্ষাকৃত বেশি। বাংলাদেশের লোক কিছু না কিছু এমোনিয়া ও রক্তহীনতায় ভুগিতেছে এবং তাহার সকল ক্ষেত্রে লৌহ অভাবজনিত রক্তহীনতা ।  ছোট শিশু এবং সন্তান সম্ভাব্য মায়েদের ভিতর এই রক্তহীনতা উপস্থিতি অপেক্ষাকৃত বেশি। রক্তের স্বাভাবিক মান বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ ম...

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা নিষেধ। আর দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যে সমস্ত মারাত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে।-Bangla News-2024

ছবি
দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা নিষেধ। আর দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যে সমস্ত মারাত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে।  দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ক্ষতি হযরত জাবির রাদিয়াল্লাহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূল সাল্লাহু সাল্লাম দাঁড়িয়ে প্রসাব করতে নিষেধ করেছেন (সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৯) হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূল (সা.) আমাকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখলে বললেন হে ওমর তুমি দাঁড়িয়ে প্রসাব করো না। এরপর থেকে আমি আর কখনো দাঁড়িয়ে প্রসাব করি না। (জামে -আত-তিরমিজি 12, সুনানে ইবনে মাজাহঃ 308) দাঁড়িয়ে প্রসাব করার ক্ষতিকর কেন ? বিজ্ঞান কি বলে? চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয়.. ১। দাঁড়িয়ে প্রসাব করলে পেটের উপর কোন চাপ পড়ে না ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারে না বরং তা উপরের দিকে উঠে যায় ফলে অস্থিরতা বাড়ে, রক্তচাপ বাড়ে হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে খাদ্যনালী দিয়ে বারবার হিক্কা আসতে থাকে। ২। দাঁড়িয়ে প্রসব করলে প্রসাবে থলি শুরু ও লম্বা হয় ঝুলতে থাকে ফলে প্রচারে দূষিত পদার্থগুলো থলে নিতে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রসাব করলে প্রসাবে থোলে চাপ লাগে ফলে সহ...

সেখ হাসিনার পরে বাংলদেশের প্রধান মন্ত্রী কে হতে পারে? who comes after the prime minister of bangladesh

ছবি
সেখ হাসিনার পরে বাংলদেশের প্রধান মন্ত্রী কে হতে পারে? who comes after the prime minister of bangladesh প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  সংক্ষিপ্ত উত্তর হচ্ছে, বাংলাদেশের মতো দেশকে চালানোর জন্য বিশেষ কোনো লোকের দরকার হয় না, রাম-শ্যাম-যদু- মধু, যে কেউ বসিয়ে দিলেই চলে। দেশ এখন যেভাবে চলছে তাতে করে প্রধানমন্ত্রী চেয়ারে যদি একটা থান ইট রেখে দেওয়া হয়, তাও দেশ এভাবেই চলবে। বাংলাদেশে আসলে চলানোর মত কি কিছু আছে? দেশে কোন ভবিষ্যৎ নেই অগ্রগতির কোন চিহ্ন নেই বৈদেশিক মুদ্রা পাচার হচ্ছে হরদম  অতি ধনী শ্রেণীর আবির্ভাব হচ্ছে  এবং ভারতের মতো ধনী-গরীর পার্থক্য অনবরত বাড়ছে  ১৬ থেকে ২০ কোটি জনসংখ্যার দেশে মানুষের ভিড়ে রাস্তায় হাঁটা যায় না  দেশের আয়তন রাশিয়ার 1/115 ভাগ, অথচ জনসংখ্যা রাশিয়ার চেয়ে বেশি।  দেশে কোন আইন আদালত নেই  মানুষের নুন্যতম কোন মানবআধিকার নেই  প্রত্যেকটি পাবলিক সেক্টরে বিভিন্ন মাফিয়াদের দখলে দুর্নীতিতে অবস্থান ১৪০-এর নিচে  দেশে রপ্তানির খাত মাত্র দুটি এক জাতীয়সংঘের শান্তিরক্ষা মিশন. (২) জামাকাপড় বিক্রয়। পুরো দেশে একটি মাত্র শহরঃ ঢাকা, ...

কিডনি খারাপ হওয়ার লক্ষণ গুলো কি কি-? Kidney Disease-2023

ছবি
কিডনি খারাপ হওয়ার লক্ষণ-2023 কিডনি বিকল হওয়ার লক্ষণ কিডনি দেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। কি রোগ শরীরে নীরবে শরীরে ক্ষতি করে। খুব জটিল অবস্থা না হওয়া পর্যন্ত সাধারণত লক্ষণগুলো ভালভাবে প্রকাশ পায় না। তাই আগে থেকেই কিডনি রোগের লক্ষণ গুলো জেনে রাখা জরুরি। স্বাস্থ বিষয়ক ওয়েব সাইড হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছেন কিডনি খারাপ হওয়ার লক্ষণগুলোর কথা- ১। প্রস্রাবের পরিবর্তন কিডনি রোগের একটি বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবের পরিবর্তন। কিডনি সমস্যা হলে প্রস্রাব কম হয় বা বেশী হয়। বিশেষ করে রাতের বেলেয় এই সমস্যা বাড়ে। প্রসাবের রং গাঢ হয়। প্রসাবের বেগ অনুভব হলেও প্রস্রাব হয় না। ২। প্রস্রাবের সময় ব্যথা প্রস্রাবের সময় ব্যথা কিডনি রোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। মূলত প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া, ইউরোনারী ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের লক্ষণ। যখন এটি কিডনিতে ছড়িয়ে পরে তখন জ্বর ও পিঠের পিছনে ব্যথা অনুভব হয়। ৩। প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া প্রাস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া একটি ঝুকিপূর্ণ বিষয়। এমন হলে দ্রত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। 8। শরীর/দেহ ফোলা কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য ও বারতি পানি ইউরিন প্রকৃয়ায় অপ...

শিশু রোগ/ব্যাধি- Child Disease

ছবি
শিশু রোগ/ব্যাধি- Child Disease শিশু রোগ শিশুদের অধিকাংশ রোগের জন্য বড়দের মতো চিকিৎসা করা যায়। তবে ওষুধের মাত্রা বড়দের তুলনায় শিশুদের অনেক কম। ইহা সম্পূর্ণভাবে শিশুদের বয়সের উপর নির্ভর করে।  শিশুদের কিছু কিছু রোগের কথা পূর্বে বলা হয়েছে যেমন- হামজার, ডিপথেরিয়া, ডায়রিয়া ইত্যাদি। শিশুদের জন্য কতগুলি রোগে Specific ঔষধ পাওয়া যায়, যাহা বড়দের চলে না, যেমন শিশুদের টাইফয়েড, প্যারাটাইফয়েড রোগে Pedeatric Syrup বা Drup পাওয়া যায়। নিম্মে শিশুদের খাবার এবং বিশেষ কতগুলি শিশুব্যাধি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। 👉পুষ্টিকর খাদ্য  সব সময় শিশুদের পুষ্টিপ্রধান খাদ্য খাইতে হবে। কেননা, শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য না খাইলে সঠিকভাবে বাড়িবে না এবং খুব শীঘ্রই অসুস্থ হইয়া পরিবেশ। প্রথম দুই মাস শুধু বুকের দুধ খাওয়াতে হবে  একদিন থেকে তিন বছর পর্যন্ত বুকের দুধ এবং অন্যান্য পুষ্টি প্রধান খাবার দিতে হইবে। যেমন শাক-সবজি, সিম, ডিম, ডাল, মাংস ইত্যাদি। এক বছর পর প্রতিটি খাবারই হইবে  শিশুর গঠনমূলক এবং প্রতিরোধমূলক। যেমন দুধ, ডিম, দুগ্ধজাত খাবার, ফলমূল ইত্যাদি। ইহার সঙ্গে থাকিবে শক্তি অর্জনকারী খা...

কুকুরের কামড়ে করনীয় ও চিকিৎসা- Dog bite

ছবি
কুকুরের কামড়র-Dog bite কুকুরের কামড় কুকুরের কামড় অবহেলা করা ঠিক নয় পাগলা কুকুর কামড়াইলে জলাতঙ্ক রোগ হয় এবং প্রতিশোধ ব্যবস্থা গ্রহ ণ না করলে রোগী মারা যায়। 👉  চিকিৎসা ১। কুকুর কামড়ানোর সাথে সাথে ক্ষতস্থানে বারবার সাবান দিয়ে পানি দিয়ে ধুতে হয়।  ২। ক্ষতস্থানে এন্টিসেফটিক লোশন লাগাইয়া পরে মারকিউরোক্রম লাগাতে হয় অথবা কার্বলিক এসিড দিয়ে পুড়ে দিতে হয়। ৩। ক্ষতস্থানে রক্তপাতের জন্য খোলা রাখিত হয়। 8। কুকুরটিকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত গতিবিতি লক্ষ্য করার জন্য বাঁচিয়ে রাখতে বা নজর রাখিতে হয়। যদি কুকুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকে তবে জলাতঙ্ক রোগের ইনজেকশন দরকার নেই । অন্যথায় ইনজেকশন দেওয়ার যথেষ্ট প্রয়োজন আছে বলে মনে করতে হবে। এই রোগের জন্য নাভির চতুরপার্শ্বে  Anti-rabies Vaccine 14 টি ইনজেকশন করতে হয় । নাভির মোটা চামড়া নিচে একটি করে ইঞ্জেকশন প্রতিদিন করিতে হয়। প্রতিটি এ্যাম্পুলে 5 cc ওষুধ থাকে, বয়স অনুসারে 1 সিঃ সিঃ হইতে 5cc ঔষধ ইনজেকশন দিতে হবে।  অথবা  বর্তমান বহুল ব্যবহৃত ইনজেকশন Inj. RABIPUR (রাবিপুর) ব্যবহার করা হয়। সক্রিয় উপাদানঃ পিউরিফাইড চিক এমব্রাইও সেল রেবিস...

সাপে কাটা বা সর্পদংশন-Snake bite-2023

ছবি
সাপে কাটা বা সর্পদংশন-Snake bite-2023 সাপে কাটা বা সর্পদংশন বিষাক্ত সর্প মানুষকে দংশিলে অসহ্য তীব্র জ্বালা পোড়া এবং সেই সাথে ফুলিয়া ওঠে। মূলত বিষাক্ত দাঁত দুইটি শরীরে ঢুকিয়ে যায় এবং ক্ষতের সৃষ্টি করে। সাধারণ ক্ষত হইলেও অসহ্য বিষে মানুষ মৃত্যুবরণ করে। 👉ব্যবস্থাঃ ১। ক্ষতস্থানের উপরিভাগে কাপড়, গামছা, রুমাল বা ফিতা দ্বারা শক্ত করিয়া বাঁধিয়া দিতে হইবে যাতে বিষাক্ত রক্ত হৃৎপিণ্ডে ঢুকিতে না পারে । ২। একটি পরিষ্কার ব্লেড দ্বারা ক্ষতস্থানের উপর এমন ভাবে 5/6 টি আঁচড়  দিতে হয় যেন আঁচড়ের গভীরতা ১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। ৩। ক্ষতস্থানের চারদিকে দুই হাত দিয়ে এমন ভাবে চাপিতে হইবে যেন বিষাক্ত রক্ত বাইরের বেড়িয়ে যায়। 8। ক্ষতস্থানে পটাশিয়াম পারম্যাগনেট বা নরমাল স্যালাইন দিয়া পরিষ্কার করিতে হয়। ৫। তীব্রতা বাড়িতে থাকলে ইনজেকশন Inj -Avil মাংশে ও Inj- Decason শিরায় করা হয়। ৬। অতপর পলিভ্যালেন্ট এন্টিভিনিন সিরাম ইনজেকশন করিতে হয়। ৭। চর্মি পরীক্ষ (Sensitivity test) এবং 20 সি সি চর্মের নীচে (S.c) 20 সি.সি মাংসে (I/m) এবং 20 সি.সি 5% Dexaqua এর ভিতরে দিয়া শিরাপথে ( I. V) দেওয়া হয়। এরপর 6 ঘ...

কোষ্ঠ-কাঠিন্য-Constipation-2023কো

ছবি
কোষ্ঠ-কাঠিন্য-Constipation-2023 ডাঃ এ, এন, এ, হোসেন-এম.বি.বি.এস কোষ্ঠ-কাঠিন্য 👉কোষ্ঠ-কাঠিন্য ভুক্ত খাদ্য দ্রব্যের প্রয়োজনীয় অংশ বাদে অসার অংশ ১২ হইতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাহির না হইলে তাহাকে কনসটিপেশন বলে। অন্তের যোগ, অস্ত্রের ক্রিয়াতে ব্যাঘাত, যকৃতের ক্রিয়া হ্রস, উপযুক্ত খাদ্যের অভাব প্রভৃতি কারণে এই রোগ হয়।  স্বাভাবিক অবস্থায় ২৪ ঘন্টায় একবার বা দুইবার মলত্যাগ হয়। বিভিন্ন লোকের মল ত্যগের বিভিন্ন নিয়ম । কেহ ২৪ ঘন্টায় এক বার কেউ দুই বার কেউ দুই/ তিন দিন পর এক বার মলত্যাগ করে । এই জন্য তাহার কোন চিকিৎসার ও দরকার হয়না । কনস্টিপেশন হইলে মল ভান্ডার হইতে মল সম্পূর্ণ নিঃসৃত হয় না। বিভিন্ন রোগের সহিত (যেমন- ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড) কোষ্ঠকাঠিন্য থাকিতে পারে। সোজা কথা কেউ তিন দিন পর পায়খানা করিলেও যদি কোন অসুবিধা বোধ না করে তবে তার কোন উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণ নেই। কোষ্ঠকাঠিন্য দুই প্রকারঃ যথা- ১। কোলোনিক কনস্টিপেশন। ২। রেক্টাল কনস্টিপেশন। ১। কোলোনিক কনস্টিপেশন (Colonic Constipation). 👉কারণ   নিম্নলিখিত কারণে কোলোনিক কনস্টিপেশন হয়- ১। শাক-সবজি, ফলমূল না খাইলে, ভিটামিন বা ...

হাইপার/হাইপো এসিড গ্যসট্রাইটিজ-Hyper/Hypo acid Gastritis-2023

ছবি
হাইপার/হাইপো এসিড গ্যসট্রাইটিজ-Hyper/Hypo acid Gastritis-2023 ডাঃ এ, এন, এ, হোসেন- এম.বি.বি.এস   হাইপার/হাইপো এসিড গ্যসট্রাইটিজ 👉হাইপো এসিড গ্যাসট্রাটিজ গ্যাস্ট্রিক জুসের হাইড্রোক্লোরিক এসিড প্রোটিন জাতীয় খাদ্য ডিম, দুধ, মাংস ইত্যাদি সাহায্য করে। ওই হাইড্রোক্লোরিক এসিড স্বাভাবিক হইতে বেশি পরিমাণ থাকিলে ওই অবস্থাকে হাইপার এসিড গ্যসস্ট্রাইটিজ বলে। 👉লক্ষণ ১। ক্ষুধা লাগলে উপরের পেটেও বুকের মধ্যে জ্বালাপোড়া ভাব থাকে। ২। কিছুদিন এমনি ভাবে চলিবার পর খালি পেট হলেও  ব্যাথা অনুভব করে । ৩। কিছু খাইবার পরে ব্যথা সামান্য কমে যায়। 8।এই অবস্থায় ক্ষুধা বেশি হয় এবং দ্রুত হজম হয়। ৫। ধীরে ধীরে ব্যাথা বৃদ্ধি পায় এবং অবশেষে উহা পেপটিক  আলচারের রূপ নেয়। 👉চিকিৎসা হাইপো এসিড গ্যাসস্টাটিজের ন্যায়। হাইপার এসিডিটিতে ভুগিতে ভুগিতে হাইপো এসিডিটি আক্রান্ত হয়। এই অবস্থায় গ্যাস্ট্রিক জুসে হাইড্রোক্লোরিক এসিড কম থাকে । 👉লক্ষণ রক্তহীনতা, ক্ষুধামন্দা, বুক জ্বা-পোড়া অম্ল ঢেকুর, বমি বমি ভাব, পাতলা পায়খানা হইতে পারে। 👉উপদেশ ১।পাকস্থলীর মারাত্মক প্রদাহ হইলে যথাসময়ে চিকিৎসা করা উত্তম। কেননা, এ...

হুপিং কাশি-whooping Cough 2023

ছবি
হুপিং কাশি-whooping Cough 2023 ডাঃ এ, এন, এ, হোসেন- এম.বি.বি.এস হুপিং কাশি 👉হুপিং কাশি ইহা শ্বাস-প্রসার জনিত একটা সংক্রমণ ব্যাধি। যে কোন বয়সের লোকের এই ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে। তবে শিশুদের মধ্যে (দুই হতে পাঁচ বছরে) এই রোগের প্রকোপ খুব বেশি। হেমোফেলাস পারটিউসিস নামক জীবাণু দ্বারা শিশু ও বালক- বালিকা এই রোগে আকরান্ত হয়। সর্দি হইতে কাশি কাশি শুকনো হইলে ইহা প্রায়ই হুপিং কাশিতে পরিণিত হয়। পরে ইহা খারাপের দিকে ধাবিত হইতে পারে। আক্রান্ত রোগী সংস্পর্শে কেউ আসিলে এই রোগে আক্রান্ত হইবার সম্ভাবনা থাকে। রোগী জীবাণু সংক্রমিত হওয়ার ৭ থেকে ২০ দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়। হুপিং কাশির টিকা নিলে এই রোগ আর হয় না । ই হাও সরকার কর্তৃক দেওয়া হয়। যে কারনে এই প্রকার রোগ আর দেখা যায় না। 👉লক্ষণ ১। প্রাথমিক অবস্থায় রোগী সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হয় ও তৎসঙ্গে শুধু জ্বর হয়। এই জ্বর পরে বৃদ্ধি পাইয়া ১০০° ডিগ্রীর উপর পর্যন্ত হইতে পারে। ২। ঘন ঘন কাশের পর কাশ হইয়া শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হইবার উপক্রম হয় । কোন কোন ক্ষেত্রে চোখের কনজাংটাইভাতে রক্ত জমে যায়। ৩। পক্ষ কালের মধ্যে কাশি খুব বাড়ে এবং বেগ বে...